হ্যালো বন্ধুরা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্নাস ভর্তি সংক্রান্ত অনেক প্রশ্ন আমাদের থেকে থাকে। এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে তৈরি করা হল আমাদের এই পোস্টি। আশা করি এই পোস্টি পড়ার পর আপনার আর কোন প্রশ্ন থাকবে না। তাহলে চলুন দেখে আসি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত সকল প্রশ্নোত্তর...
প্রশ্নঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২০উত্তরঃ২০২১ শিক্ষাবর্ষের অনার্স ভর্তির আবেদন কবে শুরু এবং শেষ হবে?
উত্তরঃ অনার্স ভর্তি কার্যক্রমের অনলাইন প্রাথমিক আবেদন ২৮ জুলাই ২০২১ তারিখ বিকাল ৪টা থেকে শুরু হয়ে ১৪ আগষ্ট ২০২১ তারিখ রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে। প্রার্থীদের অনলাইন আবেদন ফরম আগামী ১৬ আগষ্ট মধ্যে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
প্রশ্নঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তির জন্য কারা আবেদন করতে পারবে?
উত্তরঃ বাংলাদেশে স্বীকৃত যে কোন শিক্ষা বাের্ড/উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা থেকে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৩.০ ও মানবিক থেকে ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ এবং এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫ প্রাপ্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পরবে।
প্রশ্নঃ কত সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে?
উত্তরঃ ২০১৭/২০১৮ সালে এসএসসি ও সমমান এবং ২০১৯/২০২০ সালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবে।
প্রশ্নঃ যারা গত বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে তারা পুনরায় ভর্তির আবেদন করতে পারবেন?
উত্তরঃ যে সকল শিক্ষার্থীরা গত বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছে তারা পূর্বের ভর্তি বাতিলপূর্বক নির্দিষ্ট যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে অনার্স ভর্তির আবেদন করতে পারবে।
প্রশ্নঃ অনার্স ভর্তির আবেদন কিভাবে করতে হবে?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট থেকে Honours tabউত্তরঃএ গিয়ে Apply now ক্লিক করে আবেদন ফরম পূরণ করতে হবে এবং এর প্রিন্ট কপি নিয়ে প্রাথমিক আবেদন ফি বাবদ ২৫০/উত্তরঃ (দুইশত পঞ্চাশ) টাকাসহ প্রার্থীর আবেদন ফরমে উল্লিখিত কলেজে অবশ্যই জমা দিতে হবে।
প্রশ্নঃ আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র লাগবে?
উত্তরঃ ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি, আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল নম্বর ও রেজিষ্ট্রেশন নম্বর।
প্রশ্নঃ অনলাইনে আবেদন কই থেকে করতে হবে?
উত্তরঃ যারা অনলাইনে কাজ করে এসব কম্পিউটারের দোকানে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন অথবা প্রার্থী নিজেই আবেদন করতে পারবেন যদি তার আবেদন করার বিষয়ে ভালো অভিজ্ঞতা থাকে।
প্রশ্নঃ অনলাইনে পূরণকৃত আবেদন ফরমের ত্রুটি সংশােধন করা যাবে?
উত্তরঃ আবেদন ফরম সংশ্লিষ্ট কলেজে জমাদানের পূর্বে প্রার্থীর আবেদন ফরমে তথ্যগত অমিল বা ত্রুটিপূর্ণ ছবি থাকলে তা সংশােধন করতে পারবে। আবেদন ফরম সংশােধনের জন্য প্রার্থীকে ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের Applicant Login অপশনে Honours Login লিংকে গিয়ে আবেদন ফরমের রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিতে হবে এবং আবেদন ফরমটি বাতিলপূর্বক নতুন করে আবেদন ফরম পূরণ করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ অনলাইনে আবেদনের পর ভর্তিচ্ছু কলেজে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে?
প্রশ্নঃ আবেদন ফি ২৫০ টাকা, অনলাইনে প্রিন্টকৃত আবেদন ফরম, পাসপোর্ট সাইজের ছবি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার মার্কশীট এর ফটোকপি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি।
বিদ্র: কলেজভেদে ভিন্ন হতে পারে।
প্রশ্নঃ অনার্স ভর্তির মেধা তালিকা কিভাবে প্রণয়ন করা হবে?
উত্তরঃ এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। ভর্তি পরীক্ষা দিতে হবেনা।
প্রশ্নঃ অনার্স ভর্তির মেধা তালিকা প্রকাশের নিয়ম কি?
উত্তরঃ আবেদন শেষ হওয়ার ১উত্তরঃ২ সপ্তাহের মধ্যে ফলাফলের ভিত্তিতে কলেজ ভিত্তিক ১ম মেধা তালিকা প্রকাশ করা হবে এবং আসন খালি থাকা সাপেক্ষে তার কয়েকদিন পর দ্বিতীয় মেধা তালিকা প্রকাশিত হবে৷ এরপর যারা কোটায় আবেদন করেছে তাদের ফল প্রকাশ হবে এবং যারা মেধা তালিকা স্থান পাবেনা তাদের রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হবে।
প্রশ্নঃ অনার্স ভর্তির মেধা তালিকার ফলাফল কিভাবে দেখা যাবে?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের Applicant Login অপশনে Honours Login লিংকে গিয়ে আবেদন ফরমের রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিয়ে ফলাফল দেখা যাবে এবং SMS এর মাধ্যমে অথবা কলেজ থেকে ফলাফল জানতে পারবে।
প্রশ্নঃ মেধা তালিকায় স্থান পেলে ভর্তি হতে কি করতে হবে?
উত্তরঃ মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে চুড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ লক্ষ্যে ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের Applicant Login অপশনে Honours Login লিংকে গিয়ে সঠিক রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিয়ে চূড়ান্ত ভর্তি ফরম পূরণ করে প্রিন্ট কপি নিতে হবে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ কলেজে জমা দিতে হবে।
প্রশ্নঃ কলেজে ভর্তি হতে কি কি কাগজপত্র লাগতে পারে?
উত্তরঃ অনলাইনের প্রিন্টকৃত ভর্তি ফরম, ৩/৪ কপি ছবি,ভর্তির আবেদন ফরমের কপি, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় সনদ পত্র, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশংসাপত্র, এস এস সি ও এইচ এস সি পরীক্ষায় মার্কশীট, ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা।
বিদ্রঃ কলেজ ভেদে ভিন্ন হতে পারে।
প্রশ্নঃ মেধা তালিকায় যে বিষয় পাবো তা কি পরিবর্তন করা যাবে ?
উত্তরঃ মেধা তালিকায় যে বিষয় পাবেন সে বিষয় পরিবর্তন করার সুযোগ রয়েছে৷ এক্ষেত্রে যদি ১ম চয়েসের বিষয়ে চান্স পান তাহলে বিষয় পরিবর্তন করা যাবেনা।
প্রশ্নঃ মেধা তালিকায় বিষয় পরিবর্তন করতে কি করতে হবে?
উত্তরঃ মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও যদি মনমত বিষয় না পাওয়া যায় তাহলে বিষয় পরিবর্তনের জন্য মাইগ্রেশন করা যাবে।
প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন করলে কিভাবে বিষয় পরিবর্তন হয়?
উত্তরঃ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের বিষয় চয়েস এর উপর নির্ভর করে বিষয় পরিবর্তন হয়। কেউ যদি তার চয়েস অনুযায়ী ৩ নং বিষয় পায় তার মাইগ্রেশন করলে আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ১ম ও ২য় চয়েসের বিষয় পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে৷ ১ম চয়েজ এর বিষয়ে যদি চান্স হয় তাহলে মাইগ্রেশন হবে না। কেউ যদি বিষয় পরিবর্তন করতে না চান ভুলেও মাইগ্রেশন করবেন না।
প্রশ্নঃ কিভাবে মাইগ্রেশন করতে হয়?
উত্তরঃ অনলাইনে চুড়ান্ত ভর্তি ফরম প্রিন্ট করার সময়
do you want to change your assigned subject based on your given preference list অপশনটি yes করতে হবে। যদি এই Option টা চালু করা হয় তবেই মাইগ্রেশনের রেজাল্ট পাওয়া যাবে ও বিষয় পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। আর যদি Auto Maigration চালু না করা হয় তাহলে বিষয় পরিবর্তন হবে না।
প্রশ্নঃ মাইগ্রেশনের রেজাল্ট কবে প্রকাশ হবে?
উত্তরঃ ১ম মেধা তালিকার মাইগ্রেশনের রেজাল্ট ২য় মেধা তালিকার সাথে প্রকাশ হবে এবং ২য় মেধা তালিকার মাইগ্রেশনের রেজাল্ট কোটার মেধা তালিকার সাথে প্রকাশ হবে৷
প্রশ্নঃ মাইগ্রেশন করে বিষয় পরিবর্তন হলে কি করতে হবে?
উত্তরঃ যাদের বিষয় পরিবর্তন হবে তাদের Honours Login লিংকে গিয়ে সঠিক রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিয়ে পরিবর্তিত বিষয়ের ফরম প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। কোন শিক্ষার্থীর বিষয় পরিবর্তন হলে তার পূর্বের বিষয়ে ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে এবং পরিবর্তিত বিষয়ে তার ভর্তি নিশ্চিত হবে। তবে কোন শিক্ষার্থীর বিষয় পরিবর্তন না হলে তার পূর্বের বিষয়ে ভর্তি বহাল থাকবে।
প্রশ্নঃ যারা কোটার মেধা তালিকায় স্থান পাবে তাদের কি করতে হবে?
উত্তরঃ যে সকল প্রার্থী ইতােমধ্যে মেধা তালিকায় স্থান পেয়ে ভর্তি হয়েছে এবং একই সংগে কোটায় নতুন বিষয় বরাদ্দ পেয়েছে সে সকল প্রার্থী কোটায় বরাদ্দকৃত বিষয়ে ভর্তি হতে চাইলে তাদের পূর্বের ভর্তি বাতিল হয়ে যাবে। ভর্তির জন্য অনলাইনে পরিবর্তিত বিষয়ের ফরম প্রিন্ট করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে।
প্রশ্নঃ যারা মেধা তালিকায় স্থান পাবেনা তারা পরবর্তীতে ভর্তি হতে পারবে?
উত্তরঃ যারা ১ম ও ২য় ও কোটার মেধা তালিকায় স্থান পাবেনা তারা পরবর্তীতে ৫ টি কলেজে নতুন করে সাবজেক্ট চয়েস দিয়ে রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কারা ভর্তি হতে পারবে?
উত্তরঃ যেসব শিক্ষার্থী ১ম মেধা তালিকা, ২য় মেধা তালিকা ও কোটার মেধা তালিকায় স্থান পায়নি, যারা মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ভর্তি হয়নি, যারা ভর্তি বাতিল করেছে তারা রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে পারবে।
প্রশ্নঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রিলিজ স্লিপ কি?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি কার্যক্রমে যারা মেধা তালিকায় স্থান পায়নি, মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও
ভর্তি হয়নি, ভর্তি বাতিল করেছে তাদের অনার্স ভর্তির শেষ সুযোগের নাম রিলিজ স্লিপ।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কারা আবেদন করতে পারবে?
উত্তরঃ যারা অনার্স ভর্তির প্রাথমিক আবেদন ফরম কলেজে জমা দিয়েছে তারা আবেদন করতে পারবে।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কিভাবে আবেদন করব?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইটের Honours Login লিংকে গিয়ে আবেদন ফরমের রােল নম্বর ও পিন এন্ট্রি দিয়ে পরবর্তীতে রিলিজ স্লিপে আবেদনের তারিখ দিলে আবেদন করতে হবে। আপনি নিজে অথবা দোকানে গিয়ে আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপ আবেদন ফরম পূরণ করার জন্য কি কি লাগবে ?
উত্তরঃ অনার্স ভর্তির রোল নম্বর ও পিন নম্বর।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কয়টি কলেজে আবেদন করা যাবে?
উত্তরঃ সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন ৫ টি কলেজে আলাদাভাবে বিষয় নির্বাচন করতে হবে।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কয়টি সাবজেক্ট চয়েস দিতে পারব?
উত্তরঃ কলেজভিত্তিক যেসব বিষয়ে আসন খালি আছে যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে সকল বিষয় চয়েস দিতে পারবেন।
প্রশ্নঃ যে কলেজে পূর্বে আবেদন করেছিলাম সে কলেজে আবার আবেদন করা যাবে?
উত্তরঃ আসন খালি থাকা সাপেক্ষে আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে কোন ৫ টি কলেজ নির্বাচন করব?
উত্তরঃ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ভর্তির যেসব সরকারি/বেসরকারি কলেজে আসন খালি রয়েছে আপনার পছন্দমতো সেসব কলেজে আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ কোন কলেজে কোন বিষয়ে কতগুলো সিট আসন খালি আছে কিভাবে জানবো?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপ ফরম পূরণ করার সময় কোন কলেজের কয়টা করে আসন খালি আছে জানা যাবে।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপ প্রথমবার আবেদন করতে ভুল হলে তা বাতিল করা যাবে?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম চূড়ান্তকরণের পরেও কোন প্রার্থী তার আবেদন ফরমে কলেজ/বিষয়ের পছন্দক্রম সংশোধন বা পরিবর্তন করতে ইচ্ছুক আবেদন করতে পারবেন। এই সুযোগ সর্বোচ্চ একবার।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফি দিতে হবে?
উত্তরঃকোন ফি দিতে হবে না শুধুমাত্র অনলাইনে আবেদন করতে হবে ।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপের আবেদন ফরম কলেজে জমা দিতে হবে?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপে আবেদন ফরম কলেজে জমা দিতে হবেনা নিজের কাছেই রাখতে হবে।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে যে বিষয় পাবো তা কি পরিবর্তন করা যাবে ?
উত্তরঃ রিলিজ স্লিপে যে বিষয় পাবেন সে বিষয়েই আপনাকে ভর্তি হতে হবে ।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপে আবেদন করার পর কোন কলেজে চান্স না পাই তাহলে কি করব?
উত্তরঃ ১ম রিলিজ স্লিপে ভর্তি হতে না পারলে ২য় রিলিজ স্লিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
প্রশ্নঃ রিলিজ স্লিপের ফলাফল কখন প্রকাশিত হয়?
উত্তরঃ অনলাইনে আবেদন শেষ হওয়ার ৫উত্তরঃ৭ দিনের মধ্যে রিলিজ স্লিপের ফলাফল প্রকাশিত হবে।
ধন্যবাদ আপনাকে পোস্টি পড়ার জন্য।
